কম্পিউটার কি? যেভাবে কম্পিউটারের প্রচলন হয়েছিলো!

আবিষ্কার শব্দটি খুব ছোট হলেও এর অর্থ খুব ব্যাপক হয়ে দাঁড়ায়। যুগের পর যুগ ধরে বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করে চলছে অনেক কিছু। আবিষ্কারের এই ধারাতে নতুন ছোয়া লাগে বিদ্যুৎ আবিষ্কারের পর থেকেই। প্রতিটি আবিষ্কারই করা হয় মানবজাতির কল্যাণের জন্য। সময় ও শ্রম দুটোই খুব মূল্যবান সম্পদ যা কোনো মূল্যেই সঠিকভাবে পরিমাপযোগ্য নয়। ঠিক এমনি একটি আবিষ্কার হলো “কম্পিউটার”। কম্পিউটার আবিষ্কার ছিলো সকল আবিষ্কারের উর্দ্ধে। বর্তমানে একবিংশ শতাব্দীতে এসে ঠিক কোন কাজটা কম্পিউটার দ্বারা করা যায় না তা নির্ণয় করা দুষ্কর। এই কম্পিউটারকে আবিষ্কার করা হয়েছে মানবজাতির কল্যাণ, সময় ও শ্রমের অপচয় রোধের জন্য।

কম্পিউটার কি


যদি প্রশ্ন করা হয় তবে অনেকের কাছেই উত্তরটা হবে যে কম্পিউটার একটি যন্ত্র যা দ্বারা অনেক কাজ করা কাজ করা যায়। তবে এভাবে কম্পিউটারকে ঠিক ভালোভাবে সুসংজ্ঞায়িত করা যায় না। কম্পিউটার হলো একটি যন্ত্র যা দ্বারা মানুষ অনেক কিছু করতে পারে। অনেক কিছু মানে অনেক কিছু। ঠিক কোন কাজটা কম্পিউটার ছাড়া এখন করা যায়না তা বলা দুষ্কর। এক কথায় কম্পিউটার বর্তমান সময়ের এক উপকারী আবিষ্কার।

কিভাবে কম্পিউটারের প্রচলন হলো?

এখনকার মতন দুই এক্কে দুই, দুই দিগুণে চার -এমন তো আগে ছিলো না। মানুষ বুঝতোই না গণনা কাকে বলে বা কিভাবে গণনা করতে হবে। তবুও নিজেদের শস্যের দাম বা বিনিময়টাকে হিসেব করে রাখার জন্য কিছু গুটি বা নুড়ি পাথরের ব্যবহার করতো। ঠিক এই নুড়িপাথর বা গুটি কয়টা কার কাছে আছে বা কার কাছে বেশী আছে এই ধারণা থেকেই গণনার প্রচলন শুরু হয় এবল মূলত গণনা করার জন্য কম্পিউটার হয়। ঠিক এর জন্য কম্পিউটারকে গণনা করার যন্ত্র হিসেবে বিবেচনা করা হতো। Abacus নামক প্রথম গণনা করার যন্ত্রকে কম্পিউটার হিসেবে মেনে নেওয়া হয়েছিলো।

এর দ্বারা বুঝা যায় কম্পিউটারের সূত্রপাতটাই ঘটে Abacus থেকে। ৪৫০ অব্দ থেকে মিশরীয় ও চীনারা তাদের দেশে Abacus আবিষ্কারের কথা ঘোষনা করেন। কালের বিবর্তনে তখনকার বহুল প্রত্যাশিত এবং সকলের আকর্ষণের বস্তু কম্পিউটারটির এখন অনেক উন্নতি হয়েছে। গণিতবিদ নেপিয়ার (স্কটল্যান্ড) ১৬১৪ সালে এলগরিদম আবিষ্কার করে কম্পিউটারের কার্যক্রমকে এক নতুন মাত্রা এনে দেন। পরবর্তীতে আরো বহু আবিষ্কার এবং উথালপাতালের পর কম্পিউটারের জন্য এক ভাষার আবিষ্কার হয় যা প্রোগ্রামিং ভাষা বা কম্পিউটারের ভাষা। কম্পিউটার এই ভাষা মানুষের বোধগম্য নয়। এই ভাষা শুধু কম্পিউটারই বুঝে।

একটি কম্পিউটারে কি কি কম্পোনেন্ট থাকে?

একটি কম্পিউটারকে বাহির থেকে দেখলে আমরা চারটি জিনিসকে দেখতে পাই।
১. কি বোর্ড
২. মাউস
৩. মনিটর
৪. সিপিউ ( কম্পিউটারের প্রাণ)
নিচে আলোচনা করবো কম্পিউটারের এই চারটি নিয়ে :
❏ কিবোর্ড : কিবোর্ড মূলত এমন একটি বোর্ড যেখানে অনেক গুলো কম্পিউটার কী (Key) বা বাটন থাকে। কম্পিউটারে কোনো তথ্য ইনপুট (প্রবেশ করাতে) কি বোর্ডে অক্ষর টিপে ব্যবহার করতে হয়।

❏ মাউস : মাউস মানে মাউস হলেও মাউসটা মাউস না। কি আজগুবি বলছি? না না আজগুবি না। এই মাউস ইঁদুর না। এই মাউস দেখতে ইঁদুরের মতনই। কম্পিউটারের ভিতরের কোনো কিছু ক্লিক করতে বা কোনো ফাইলে প্রবেশ করতে মাউসকে বাহিরে থেকে হাত ঘুরাতে হয়।

❐ মনিটর : যেই স্ক্রিনে আমরা কম্পিউটারের এই কারিশমা দেখি সবকিছু ঘটে চার কোণার ঐ মনিটরে। এই মনিটর দিয়েই আমরা মনিটরের সব কার্যক্রমকে দেখি।

❐ সিপিইউ : এই যে আমরা খাই দাই ঘুরি ফিরি সবকিছুর জন্য একটা নির্দেশনা দরকার। আমরা যা কাজই করিনা কেন সব কাজের জন্যই একটা নির্দেশনা লাগে। এমনকি ঘুমিয়ে থাকার সময়ও আমার ব্রেইন আমাদের নির্দেশনা দেয় ঘুমিয়ে থাকার জন্য। ঠিক এমনি কম্পিউটারেরও একটা নির্দেশনা দরকার যে কোনো কাজ করার জন্য। কম্পিউটারকে কাজ করার জন্য নির্দেশনা দেয় “সিপিইউ” CPU(Central Processing Unit). এই সিপইউ কম্পিউটারকে সব রকমের কাজ করতে নির্দেশনা দেয় বলে সিপিইউ কম্পিউটারের প্রাণ বলা হয়। এই সিপিইউ কম্পিউটারের মূল চালিকাশক্তি।

আরো পড়ুনঃ  বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ১ : মহাকাশে স্যাটেলাইট জগতে বাঙ্গালীর পদার্পণ!!

কম্পিউটারে এগুলো ছাড়াও স্পিকার, মাইক্রোফোন, ওয়েব ক্যাম সহ আরো বিভিন্ন ডিভাইস সংযুক্ত করা যায়। বর্তমানে কম্পিউটারে আরো সহজলভ্য করার জন্য ল্যাপটপ ব্যবহার করা হয়। ল্যাপটপে মনিটর, কিবোর্ড সহ অন্যান্য যন্ত্রাংশ একসাথে সংযুক্ত থাকে যা ডেস্কটপে একসাথে থাকে না বরং আলাদা থাকে।

কম্পিউটারের এই অংশগুলোকে দুটি ভাগে ভাগ করা হয় :
>) ইনপুট অংশ।
<) আউটপুট অংশ।

ইনপুট অংশ বলতে কম্পিউটারের ভিতরে কোনো তথ্য প্রবেশ করাতে যে সকল যন্ত্র/ডিভাইস ব্যবহার করা হয় সেসকল যন্ত্রকে ইনপুট ডিভাইস বলে। আউটপুট অংশ পুরোটাই বিপরীতে। ইনপুট অংশ দ্বারা প্রবেশ করানো তথ্য গুলোকে যে সকল ডিভাইস দ্বারা ফলাফল স্বরূপ বের করে আনা হয় তাকে আউটপুট ডিভাইস বলে। ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইসগুলো উদাহরণ দিতে হলে কিবোর্ড, মাউস, স্ক্যানার, মাইক্রোফোন হবে ইনপুট এবং মনিটর, প্রিন্টার, স্পিকার হবে আউটপুট।

কম্পিউটারের আরো গুরুত্বপূর্ণ দুটো অংশ রয়েছে। একটি RAM (Random Access Memory) আরেকটি ROM (Read Only Memory). নিচে এই র্যাম ও রম নিয়ে সংক্ষেপে আলোচনা করা হলো :

RAM : আমরা যারা এন্ড্রোয়েড ফোন ব্যবহার করি তারা সবাই এই র্যাম শব্দটির সাথে ভালোভাবে পরিচিত। যেই ফোনের র্যাম যত বেশী সেই ফোনের কর্মক্ষমতাও ততই বেশী। র্যাম হচ্ছে এমন একটি সুপার ফার্স্ট মেমরি এক্সেস যেখানে কম্পিউটারে তথ্য সংরক্ষিত থাকে। কম্পিউটারের মাদারবোর্ড র্যাম সংযুক্ত করা থাকে। এই র্যামে কম্পিউটারের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গুলো থাকে যা কম্পিউটারের সকল কাজগুলো ঠিক ভাবে সম্পাদনা করতে সাহায্য করে। র্যামে কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ মেমরী বা স্থায়ী মেমরিও বলা হয়।

ROM : র্যামকে যেমন স্থায়ী মেমরি বলা হয় ঠিক তেমনি রমকে অস্থায়ী মেমরী বলা হয়। একে বাহ্যিক মেমরিও অনেকে বলে। রম মূলত কম্পিউটারের ফাইলগুলোর জন্য জায়গা করে দেয়। রম যত বেশী হবে, কম্পিউটারে ফাইল রাখার জন্য জায়গাও ততই বেশী হবে। মূলত রমে কম্পিউটারের জন্য গান, ছবি অথবা অন্যান্য ফাইল সেইভ থাকে।

মাদারবোর্ড : মাদারবোর্ডের সাথে কি মা সম্পর্কিত? – এমন প্রশ্ন থাকতেও পারে। তবে একটা মা যেমন তার সকল সন্তানদেরকে একত্রে আগলে রাখে, মাদারবোর্ডও কম্পিউটারের সকল পার্টস গুলোকে একত্রে আগলে রাখে। তাই তো এই অংশটিকে মাদারবোর্ড বলে।

কেনো কম্পিউটার ব্যবহার করা উচিত?

একবিংশ শতাব্দীতে মানুষ যন্ত্রের উপর নির্ভর করে চলছে। সবক্ষেত্রেই মানুষকে যন্ত্রের উপর বেশী ভরসা দিতে দেখা যাচ্ছে। এমনও অনেক জটিল কাজ আছে যা মানুষের পক্ষে করা সম্ভব না। তবুও মানুষ তো জটিল কাজ গুলো থেকে বিরতি নেয়নি। আমরা ২+২= ৪ খুব সহজেই নির্ণয় করতে পারি। তবে ৬৮৩৮৪১৪০৫৮১৬৪৩৭৩৭৯ + ৯৭১৬৩২৩৭৪৩১৫৭২৫৭০৯ এর ফলাফল নির্ণয় করতে একজন মানুষের অনেক সময় লাগলেও কম্পিউটারের ক্ষেত্রে এটা সামান্য কিছু মুহূর্তের ব্যাপার। যদি একজন মানুষ এই যোগফলটা নির্ণয় করতে চেষ্টা করতো তার সময় বেশী লাগতো। এইরকম ১০০টা যোগফল নির্ণয় করতে নিশ্চই বেশী সময় লাগবে। তবে এই কাজগুলোর জন্য সময় নষ্ট করার প্রয়োজন এখন আর নেই। শুধু কম্পিউটারে গণিত গুলো টাইপ করে যোগ করার নির্দেশনা দিলেই চোখের পলকে ফলাফল চলে আসবে।

এছাড়া আরো অনেক কাজ আছে যা খুব সহজেই কম্পিউটার দ্বারা করা যায়। এখন কেউ চাইলেই কম্পিউটারে বসে গান শুনা, ভিডিও দেখা ছাড়াও অফিসিয়াল কাজগুলোও করতে পারে। আপনি যদি একজন ভিডিও এডিটর হন তবে আপনাকে কম্পিউটারে ব্যবহার করেই তা এডিট করতে হবে। যদি আপনি একজন ডিজাইনার হন তবে আপনার করা ডিজাইনটি কম্পিউটারে সম্পাদন করে খুব সহজেই প্রিন্টারে প্রিন্ট করে ব্যবহার করতে পারবেন। এছাড়াও জটিল যেই কাজগুলো সম্পাদন করতে বেশী মানুষের প্রয়োজন ছিলো সেগুলো এখন সহজেই কম্পিউটার দ্বারা করা যায়। এতে সময় ও শ্রম উভয়ই বাঁচে। তাছাড়া এখনকার যুগকে কম্পিউটার নির্ভর যুগ বলা হয়। এই কথা বলার একমাত্র কারণ হলো এখনকার সময়ের প্রায় সবগুলো কাজকেই কম্পিউটারের আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে। কেউ অফিস করজ করছে? সেখানেও কম্পিউটারের ব্যবহার হচ্ছে। কেউ ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান চালনা করতে চাচ্ছে? সেখানেও কম্পিউটারের ব্যবহার হচ্ছে। উন্নত বিশ্বের মতো আমাদের দেশের ছাত্র-ছাত্রীরাও কম্পিউটারের সামনে বসেই লেখাপড়া করার সুযোগ পাচ্ছে।

আরো পড়ুনঃ  ইতিহাসঃ ইউটিউব যেভাবে তৈরি করা হয়েছিল!

ল্যাপটপ কি?

ল্যাপটপও মূলত একটি কম্পিউটারই তবে তা হচ্ছে ছোট আকারের কম্পিউটার। সাধারণত বড় পিসি বা ডেস্কটপ ব্যবহার করতে জায়গার প্রয়োজন হইতো। প্রথম দিকের কম্পিউটারগুলো এতই বড় ছিলো যে একেকটা কম্পিউটারের জন্য রুমের প্রয়োজন হতো। কিন্তু ল্যাপটপের ক্ষেত্রে জায়গা কম লাগে। ল্যাপটপ দ্বারাও ডেস্কটপের মতই কাজ করা যায়। একটা কম্পিউটারে যে সকল জিনিসগুলো বাহিরে থাকে, ল্যাপটপে ঠিক সেই জিনিসগুলো ভিতরে থাকে এবং ল্যাপটপ খুব সহযেই বহনযোগ্য। ল্যাপটপে ব্যাটারি থাকায় সর্বদা ইলেক্ট্রিশিটির প্রয়োজনও হয় না।

কম্পিউটার ও ইন্টারনেট

আমরা যারা কম্পিউটার ব্যবহার করি তারা অবশ্যই ইন্টারনেটের সাথে পরিচিত। ইন্টারনেট হচ্ছে বহু নেটওয়ার্কের নেটওয়ার্ক। আপনি কাজ করছেন একটি কম্পিউটার ব্যবহার করে তবে আপনার এই একটি কম্পিউটারের সাথে যদি বহু কম্পিউটারকে জুড়ে দিয়ে একটি নেটওয়ার্ক বানিয়ে ফেলা যায় তবে বিষয়টা কেমন হবে? নিশ্চই শক্তিশালী হবে। ইন্টারনেট ব্যবহার করে সহজেই বিভিন্ন যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে যোগাযোগব্যবস্থাকে আরো দ্রুতি দেওয়া যায়। ইন্টারনেটের ব্যবহার বহুল। তাই কম্পিউটার আর ইন্টারনেটকে একত্রে করলে পাওয়া যায় এক ধরনের বড় শক্তিশালী নেটওয়ার্ক। এই ইন্টারনেট ব্যবহারের ফলেই কম্পিউটারের কাজগুলো আরো দ্রুতিতে চলছে। এখন আর কাউকে চিঠি লেখার প্রয়োজন হয় না। সরাসরি কম্পিউটারের সামনে বসে একটা মেইল পাঠিয়ে দিলেই চিঠির কাজ হয়ে যায়।

কম্পিউটারে দ্বারা আয়

আসলে কম্পিউটার দ্বারা তো আর প্রত্যক্ষভাবে আয় করা যায়না তবে কম্পিউটারের সাথে ইন্টারনেট সংযোগকে যুক্ত করে ভালো আয় করা যায়। ফ্রিল্যান্সিংয়ের কথা তো সবাই জানি। এই ফ্রিল্যান্সের জন্য অবশ্যই একটি কম্পিউটার থাকা আবশ্যক।

কম্পিউটার ব্যবহারের অসুবিধা

প্রতিটি উপকারী জিনিসের একটি হলেও অপকারীতা থাকেই। কম্পিউটারের ক্ষেত্রেও ব্যতিক্রম কিছুই না। অনেকেই কম্পিউটারকে বিভিন্ন অনৈতিক ও অবৈধ কাজে ব্যবহার করছে যা এক বড় হুমকি স্বরূপ দেখা দিয়েছে। কিছু অসাধু লোক আছে যারা কম্পিউটার ব্যবহার করে অন্যের ক্ষতি করছে। ফটো এডিটর ব্যবহার করে কারো ছবিতে অশ্লীল কিছু এতই নিখুঁত ভাবে কম্পিউটার দ্বারা তৈরী করা যায় যা দ্বারা সত্য মিথ্যা যাচাই করার সুযোগ খুঁজে পাওয়া যায় না। কেউ হয়তো কম্পিউটার ব্যবহার করে কিছু অপরাধ করছে যা পুলিশের অগোচরে চলে যাচ্ছে।

তাছাড়া একটানা বেশ কিছুক্ষন কম্পিউটার ব্যবহার করলে শারীরিক এবং মানসিক অনেক অসুবিধা হচ্ছে। এতে সবথেকে বেশী ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে শিশুরা। শিশুরা কম্পিউটারে গেমস খেলার জন্য আসক্ত হয়ে পড়ছে এতে শিশুদের মানসিক বিকাশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। কম্পিউটারের দ্বারা মানুষ যান্ত্রিক মুখী বেশী হচ্ছে। এতে দেখা যাচ্ছে নানা সমস্যা। অলসতা,বিমুখীতা প্রভৃতি শারীরিক ও মানসিক রোগ মানুষকে অসুস্থ করে তুলছে। সমস্যা যতই থাকুক না কেনো সমাধানও কম্পিউটার দ্বারাই করা যাচ্ছে আর এটা সব থেকে বড় সফলতা। প্রতিটি কাজেরই ভালো এবং খারাপ দুটি পক্ষই থাকবে। তবে আমাদের দায়িত্ব থাকবে ভালো দিকটিকে বেছে নিয়ে খারাপ দিকগুলোকে একদমই শেষ করে ফেলা।

প্রিয় পাঠক !

আশাকরি এই আর্টিকেল থেকে কম্পিউটার কি, কম্পিউটার যেভাবে প্রচলিত হয়েছে এবং কিছু ইতিহাস সম্পর্কে জানতে পেরেছেন। আমার এই সংক্ষিপ্ত আর্টিকেল থেকে শুধু কম্পিউটার এর মূল এবং ব্যাসিক বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনা করেছি। এর বাহিরে যদি কোনো বিষয় নিয়ে জানার আগ্রহ থাকে তাহলে কমেন্ট করে বিষয়গুলি জানাতে পারেন। আমি আপনাদের প্রশ্নের সঠিক সমাধান দিব।

You May Also Like

মোঃ আনছের আলী

About the Author: মোঃ আনছের আলী

ছোটবেলা থেকেই আকৃষ্ট প্রযুক্তির উপর। ২ জি"র আমল থেকে জাভা বাটন ফোন থেকে ইন্টারনেটে কনটেন্ট ব্রাউজিং শুরু। প্রযুক্তি যতটা আমাকে কাছে টেনে নিয়েছে। হয়তো অন্য কিছু আমাকে এতটা কাছে নিতে পারেনি। ভালোলাগে কঠিন জিনিসের সহজ ব্যাখ্যা করতে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!